ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি ও ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে খামেনির মৃত্যুর দাবি করেন। তিনি লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত হয়েছেন। এটি শুধু ইরানের মানুষের জন্য নয়, বরং সেইসব মার্কিনি ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের জন্যও এক কাঙ্ক্ষিত বিচার—যাদের তিনি ও তার বাহিনী হত্যা কিংবা পঙ্গু করেছে।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, উন্নত গোয়েন্দা নজরদারি ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে খামেনি এবং তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তার ভাষায়, ‘ইসরাইলের সঙ্গে সমন্বয়ে আমরা এমন এক অভিযান চালিয়েছি, যাতে তাদের পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য নাকি যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনিচ্ছুক এবং নিরাপত্তা বা ক্ষমা চাইছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এখনই তাদের জন্য সুযোগ—দেরি করলে কঠোর পরিণতি অপেক্ষা করছে।’
এদিকে, শনিবার খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। ওই হামলায় প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে এখনো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিস্তারিত আসছে…



