আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দলের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা প্রটোকল সরবরাহ করা হবে। আজ রবিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস উইং জানায়, এই নিরাপত্তা প্রটোকলে রাজনৈতিক নেতা ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের বাসস্থান, কার্যালয়, চলাচল, জনসভা ও অনলাইন (সাইবার স্পেস)–এ কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে। নির্বাচনকালীন সময়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।
এর আগে শনিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা চাইলে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাবেন। পাশাপাশি যেসব অস্ত্র পূর্বে জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের ধরিয়ে দিতে পারলে সরকার ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার দেবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করবে।



