মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতে বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের রায় আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থাগুলো একের পর এক উদ্বেগ জানানো বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালে অভিযুক্ত দু’জনই অনুপস্থিত ছিলেন এবং নিজেদের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পাননি—যা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করে। সংগঠনটির ভাষায়, এ ধরনের পরিস্থিতি ন্যায়বিচারের মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে “স্পষ্ট ঘাটতি” নির্দেশ করে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় রায়ের বিরোধিতা জানিয়ে বলেছে, তারা বহুদিন ধরেই সব দেশের কাছে মৃত্যুদণ্ড বাতিলের আহ্বান জানিয়ে আসছে। যদিও একইসাথে তারা এই রায়কে “ভুক্তভোগীদের জন্য একটি মুহূর্ত” হিসেবে উল্লেখ করেছে, তবে জোর দিয়েছে—ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের বিবৃতিতে উদ্বেগ আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে বলে, অনুপস্থিতিতে দ্রুত বিচার এবং তার পরপরই ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড ন্যায়বিচারের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
আন্তর্জাতিক মহলের একাধিক বিবৃতিই ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আরও গভীর বিশ্লেষণ এবং স্বচ্ছতার দাবি জোরালো হচ্ছে।



