লালদিয়া টার্মিনাল ও পানগাঁও নৌ টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা। তাদের অভিযোগ, “জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গোপনে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে”— যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বাম নেতারা বলেন,
“পুলিশি হামলা ও দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে না। বন্দর রক্ষার আন্দোলন আরও জোরদার হবে।”
সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার কাকরাইল মোড়ে বন্দর রক্ষার মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে বেশ কয়েকজন আহত হন।
‘বর্তমান সরকারের ইজারা দেওয়ার অধিকার নেই’—বাম নেতারা
সমাবেশে নেতারা বলেন,
- অন্তর্বর্তী সরকার অনির্বাচিত, তাই তাদের নিউমুরিং, মোংলা বা পতেঙ্গা টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে দেওয়া অবৈধ ও অনৈতিক।
- গণ–অভ্যুত্থানের মনোভাব অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন দিয়ে সরকারকে সরে দাঁড়ানো উচিত।
তারা আরও অভিযোগ করেন,
“ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারও আগের ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো সভা-সমাবেশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার পথে হাঁটছে।”
পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও হুঁশিয়ারি
বক্তারা কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“পুলিশ দিয়ে হামলা করিয়ে বামপন্থীদের আন্দোলন থামানো যাবে না। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি হস্তক্ষেপ আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে এবং হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
সমাবেশ থেকে দেশবাসীকে বন্দর রক্ষার চলমান আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে যারা বক্তব্য দেন
সভাপতিত্ব করেন—
- বজলুর রশীদ ফিরোজ, সমন্বয়ক, বাম গণতান্ত্রিক জোট।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন—
- সাজ্জাদ জহির চন্দন (সভাপতি, সিপিবি)
- শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী (সমন্বয়ক, বাম মোর্চা)
- মোশরেফা মিশু
- সীমা দত্ত
- শামীম ইমাম
- আবদুল আলী প্রমুখ।



