26.8 C
Dhaka
Wednesday, June 10, 2026

বিশ্বে প্রথম ২০২৬ সালকে স্বাগত জানাল কিরিবাতি, শুরু হলো বৈশ্বিক বর্ষবরণ

বিশ্বের অনেক দেশ যখন নতুন বছর বরণ করার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন এরই মধ্যে খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়েছে কয়েকটি দেশ। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ সাল বরণ করেছে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) যখন সকাল ১০টা, তখন কিরিবাতির কিরিমাটি বা ক্রিসমাস দ্বীপে ঘড়ির কাঁটা গড়ায় মধ্যরাতে। এ সময় নতুন বছরের উদ্‌যাপন শুরু হয় সেখানে। দেশটির অন্যান্য দ্বীপগুলোতেও ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানে বর্ষবরণের উৎসব শুরু হয়।

প্রশান্ত মহাসাগরের ৩৩টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত কিরিবাতি ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার পাশে নিজেদের সময় অঞ্চল পরিবর্তন করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল—দেশটির সব দ্বীপে একই তারিখ বজায় রাখা। এই সিদ্ধান্তের ফলেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তারা প্রতি বছর নতুন বছর উদ্‌যাপনের সুযোগ পায়।

কিরিবাতির পরপরই ২০২৬ সালকে বরণ করে নেয় নিউজিল্যান্ড, সামোয়া ও টঙ্গা। গ্রিনিচ মান সময় রাত ১১টায় নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে নতুন বছর শুরু হয়। এ উপলক্ষে অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণিল আতশবাজির প্রদর্শনী।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের শেষ দিন অকল্যান্ডে বেশির ভাগ সময় বৃষ্টি হলেও রাতে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে আতশবাজির রঙিন আলোয় ঝলমল করে ওঠে পুরো শহর।

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেওয়া হয়েছে নানা আয়োজন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বরাবরের মতো হারবার ব্রিজে মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হয় বিশাল আতশবাজি প্রদর্শনী। পাশাপাশি বিদায়ী বছরের শেষ তিন ঘণ্টাজুড়ে চলে পারিবারিক আতশবাজির আয়োজন, যাতে শিশুরাও আনন্দে অংশ নিতে পারে।

এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপিন্স, হংকং, চীন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভ্যাটিকান সিটিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে নতুন বছর উদ্‌যাপন শুরু হয়েছে। অন্যদিকে সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে ইউরোপ, আফ্রিকা ও আমেরিকার বহু দেশ।

বিশ্বজুড়ে আনন্দ, উৎসব আর প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে এভাবেই শুরু হলো নতুন বছর ২০২৬।

Related Articles

Stay Connected

5,000FansLike
4,000FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles